প্রথম পাতা সংবাদ ব্রেকিং নিউজ বিশেষ প্রতিবেদন জাতীয় রাজ্য জেলা বিনোদন সাহিত্য ও সংস্কৃতি খেলাধুলা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি স্বাস্থ্য ভিডিও গ্যালারি সমাজসেবা মতামত
BREAKING NEWS:

সিউড়ীর রবীন্দ্রসদনে সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা: সঙ্গীত, নৃত্য, আবৃত্তিতে মুখর বার্ষিক অনুষ্ঠান ও গুরু পূর্ণিমা উদযাপনথ

সংস্কৃতির শহর হিসেবে পরিচিত সিউড়ি আবারও সাক্ষী থাকল এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার।রবিবার সিউড়ী রবীন্দ্রসদনে অনুষ্ঠিত হল পুষ্পবীণা সঙ্গীত শিক্ষা নিকেতন-এর বার্ষিক অনুষ্ঠান ও গুরু পূর্ণিমা উপলক্ষে বিশেষ সাংস্কৃতিক আয়োজন। সঙ্গীত, নৃত্য, আবৃত্তি এবং আগামী দিনের শিল্পীদের উৎসাহ ও সম্মাননার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি এক অনন্য মাত্রা লাভ করে।অনুষ্ঠানের সূচনায় গুরুজনদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এরপর একে একে মঞ্চে পরিবেশিত হয়  আধুনিক গান, শাস্ত্রীয় সঙ্গীত, আবৃত্তি এবং নৃত্য। বিশেষভাবে উপস্থিত দর্শকদের মুগ্ধ করে এক ক্ষুদে শিল্পীর নৃত্য পরিবেশনা, যা অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ হয়ে ওঠে। প্রতিটি ছাত্রছাত্রীর পরিবেশনায় ফুটে ওঠে দীর্ঘদিনের নিষ্ঠা, অনুশীলন এবং শিল্পচর্চার পরিচয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সমাজ ও সংস্কৃতি জগতের একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি। পুষ্পবীণা সঙ্গীত শিক্ষা নিকেতনের অধ্যক্ষা ও কর্ণধার শ্রীমতী মানবী সরকার-এর পরিকল্পনা ও পরিচালনায় সমগ্র অনুষ্ঠানটি সুসংগঠিত ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়। তাঁর দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টায় অসংখ্য ছাত্রছাত্রী সঙ্গীত শিক্ষার মাধ্যমে নিজেদের শিল্পীসত্তাকে বিকশিত করার সুযোগ পাচ্ছে। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী প্রত্যেক শিক্ষার্থীর আন্তরিকতা এবং শিল্পসাধনার প্রতি নিষ্ঠা দর্শকদের প্রশংসা কুড়ায়।

এদিন কেবল সাংস্কৃতিক পরিবেশনাই নয়, আগামী দিনের সম্ভাবনাময় শিল্পীদের সম্মাননা প্রদানও অনুষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল। এই সম্মাননা তাদের শিল্পচর্চায় আরও অনুপ্রেরণা জোগাবে বলে মনে করেন উপস্থিত অতিথিরা। বক্তারা বলেন, শিল্প-সংস্কৃতির বিকাশের জন্য নিয়মিত চর্চা, সঠিক দিশা এবং গুরুর প্রতি শ্রদ্ধাবোধ অপরিহার্য। গুরু পূর্ণিমার এই বিশেষ আয়োজন সেই মূল্যবোধকেই নতুন করে স্মরণ করিয়ে দিল।

সিউড়ির সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে পুষ্পবীণা সঙ্গীত শিক্ষা নিকেতনের অবদান ক্রমশ আরও সুদৃঢ় হচ্ছে। শহরের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সমৃদ্ধ করার পাশাপাশি নতুন শিল্পী গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও প্রতিষ্ঠানটি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করছে। উপস্থিত দর্শক ও সংস্কৃতিপ্রেমীদের প্রত্যাশা, আগামী দিনেও এই প্রতিষ্ঠান একই নিষ্ঠায় শিল্প, সঙ্গীত ও সংস্কৃতির আলো ছড়িয়ে যাবে এবং সিউড়ির সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে আরও সমৃদ্ধ করবে।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

Follow Facebook

Follow Now

Subscribe Youtube

Subscribe