প্রথম পাতা সংবাদ ব্রেকিং নিউজ বিশেষ প্রতিবেদন জাতীয় রাজ্য জেলা বিনোদন সাহিত্য ও সংস্কৃতি খেলাধুলা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি স্বাস্থ্য ভিডিও গ্যালারি সমাজসেবা মতামত
BREAKING NEWS:

‘ খাদ্য নিরাপত্তায় সচেতনতা বাড়াতে শিক্ষিত করা হোক’, সরকারের কাছে আবেদন বীরভূমের মিষ্টান্ন ব্যবসায়ীদের

খাদ্য নিরাপত্তা বিধি না মানার অভিযোগে পুজোর আগে বন্ধ বীরভূমের কয়েকটি মিষ্টির দোকান l স্বাস্থ্য দপ্তরের ফুড সেফটি অফিসারদের এমন সিদ্ধান্ত পুনঃবিবেচনার আবেদন জানিয়ে অবিলম্বে বন্ধ দোকান খোলার দাবিতে জেলাশাসকের কাছে ডেপুটেশন দিল পশ্চিমবঙ্গ মিষ্টান্নব্যবসায়ী সমিতির বীরভূমজেলা শাখা l

বীরভূমে মিষ্টির দোকানগুলিতে খাদ্যের গুণগত মান, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও খাদ্য নিরাপত্তা বিধি মেনে চলা হচ্ছে কি না, তা নিয়ে নজরদারি শুরু করেছে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের ফুড সেফটি বিভাগ। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে রাজ্যের অন্যান্য জেলার পাশাপাশি বীরভূমেও শুরু হয়েছে এই নজরদারি। খাবারের দোকান, হোটেল, পথচলতি ফুডস্টলের পাশাপাশি জেলার প্রসিদ্ধ মিষ্টির দোকানগুলিতেও চলছে পরিদর্শন। আর এই নজরদারিতেই উঠে এসেছে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য। কোথাও খাবারের গুণগত মান ঠিক না থাকার অভিযোগ, আবার কোথাও দেখা গিয়েছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাব। পরিদর্শনের সময় এমন বিভিন্ন অনিয়ম আধিকারিকদের নজরে এসেছে বলে জানা গিয়েছে।পরিস্থিতিতে খাদ্য নিরাপত্তা বিধি না মানার অভিযোগে ফুড সেফটি বিভাগের আধিকারিকদের কড়া পদক্ষেপও করতে হয়েছে। রামপুরহাটের একটি মিষ্টির দোকান বন্ধ করে দেওয়ার পাশাপাশি বীরভূম জেলার প্রায় কুড়িটি মিষ্টির দোকানের লাইসেন্স সাসপেন্ড করা হয়েছে বলে ব্যবসায়ী সংগঠনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।পুজোর মুখে এই পরিস্থিতিতে বন্ধ হয়ে যাওয়া মিষ্টির দোকানগুলি পুনরায় খোলার আবেদন জানিয়ে জেলাশাসকের কাছে ডেপুটেশন দিল পশ্চিমবঙ্গ মিষ্টান্ন ব্যবসায়ী সমিতির বীরভূম জেলা শাখা। সংগঠনের প্রতিনিধিরা দেখা করেন জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের সঙ্গেও।সমিতির সম্পাদক সঞ্জয় পোদ্দার অভিযোগ করেন, সামান্য ত্রুটির জন্যও কোনও কোনও মিষ্টির দোকান বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে এবং ব্যবসায়ীদের হয়রানির মুখে পড়তে হচ্ছে। তাঁর বক্তব্য, পুজোর সময় দোকান বন্ধ থাকলে ব্যবসায়ীদের বড় ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে। তবে একই সঙ্গে ব্যবসায়ী সংগঠনের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে সহযোগিতার আবেদনও জানানো হয়েছে। সঞ্জয় পোদ্দারের কথায়, “আমাদের আরও শিক্ষিত করা হোক। খাদ্য নিরাপত্তা বিধি সম্পর্কে ব্যবসায়ীদের সচেতনতা বাড়াতে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হোক।”ব্যবসায়ীদের বক্তব্য, খাদ্যের গুণগত মান ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা যেমন জরুরি, তেমনই খাদ্য নিরাপত্তা সংক্রান্ত নিয়মকানুন সম্পর্কে ব্যবসায়ীদের যথাযথ প্রশিক্ষণ দেওয়াও প্রয়োজন। তাঁদের দাবি, শাস্তিমূলক পদক্ষেপের পাশাপাশি সচেতনতা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে মিষ্টান্ন ব্যবসায়ীদের নিয়ম মেনে চলার সুযোগ করে দিলে সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

Follow Facebook

Follow Now

Subscribe Youtube

Subscribe