দুবরাজপুরের সরকারি খাস জমি দখল করে ক্রিকেট কোচিং ক্যাম্প কে ঘিরে বিক্ষোভ দুবরাজপুর ব্লকের হেতমপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত গোখরুলের কোল্ড স্টোর পাড়া। অশান্তি এড়াতে হস্তক্ষেপ করে দুবরাজপুর থানার পুলিশ । স্থানীয় গ্রামবাসীদের অভিযোগ সরকারি খাস জমি নিয়ে শুরু হয় ক্রিকেট কোচিং ক্যাম্প প্রথমদিকে গ্রামের সকলকে নিয়ে খেলার কথা থাকলেও সময়ের সাথে সাথে বঞ্চিত হতে থাকে গ্রামের সাধারণ যুবকেরা।
আস্তে আস্তে মাঠকে পুরো ঘিরে ফেলা হয় এবং বেসরকারিভাবে কোচিং ক্যাম্প করা হয় বলে অভিযোগ দীর্ঘদিনের l পূর্বতন সরকার থাকাই পুলিশে জানিও কোন লাভ হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা ।তাঁদের আরো অভিযোগ তৎকালীন পুরপ্রধান পীযুষ পান্ডের মদতে মাঠের দখল চলে যায় অনিল কিশোর দে ক্রিকেট কোচিং ক্যাম্পের হাতে বেসরকারি মালিকানায়, যার দেখভালের দায়িত্বে দুবরাজপুরের আলু ব্যবসায়ী নারায়ণ দে ।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি গোখরুল ,বাবু বেড়া ও কোল্ড স্টোর এলাকার যুবকেরা দীর্ঘদিন ধরে এই মাঠে খেলাধুলা করতেন কিন্তু তৃণমূলের আমলে ভয় দেখিয়ে মাঠটির দখল নিয়েছিলেন আলু ব্যবসায়ী এবং তৈরি করেন বেসরকারি ক্রিকেট কোচিং ক্যাম্প ।অভিযোগ মাঠের ব্যাপারে কোন কথা বলতে গেলে হুমকি দেওয়া হতো ফলে তাঁরা মুখ খুলতে পারতেন না। কিন্তু রাজ্যের পালাবদল হতেই এই বিষয়ে তাঁরা সোচ্চার হয়েছেন।
শনিবার স্থানীয় যুবকেরা মাঠে আসেন ,খবর পেয়ে মাঠে আসেন কোচিং ক্যাম্পে র মালিকও । শুরু হয় তর্ক-বিতর্ক অশান্তি এড়াতে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে মাঠে আসে দুবরাজপুর থানার পুলিশ । সাধারণ মানুষের অভিযোগের কথা শুনে ঘটনাস্থলে হাজির স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব সকলের সাথে কথা বলে পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেয়। যদিও মাঠে এলাকার সাধারণ যুবকদের খেলতে না দেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন আলু ব্যবসায়ী তথা বেসরকারি কোচিং ক্যাম্প কর্তৃপক্ষ। নারায়ণ দে বলেন আমাদের গ্রামের ছেলেরা এই মাঠটিতে খেলা করেন পাশে মাঠ রয়েছে সেখানে ফুটবল খেলা হয় ।আমরা চাই খেলাধুলা হোক। এই মাঠে যাতে খেলা হয় সেটা চাইছেন স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বও। তাদের দাবি মাঠ ঘেরা থাকলে ক্ষতি নেই কিন্তু মাঠের গেটে যেন চাবি না থাকে। সকলে যেন খেলার সুযোগ পায়। এটি সরকারি জমিতে তৈরি তাই এই মাঠে সাধারণ মানুষ এলাকার খেলোয়াড়রা খেলবেন এটাই স্বাভাবিক কেউ ব্যক্তিগতভাবে কোচিং ক্যাম্প করতে পারেন তবে সে ক্ষেত্রে তাকে নিজস্ব জায়গা কিনে করতে হবে। শনিবারের ঘটনার পর স্থানীয় যুবকেরা খুশি সকলেই চান এই ঘেরা মাঠেই তাঁদের খেলা -প্র্যাকটিস হোক।




