বোলপুর নৃত্যনিকেতন ড্যান্স গ্রুপ এন্ড স্কুল আয়োজিত সাত দিনব্যাপী নাট্যকর্মশালা শেষ হলো মঙ্গলবার । পশ্চিমবঙ্গ নাট্য একাডেমীর আর্থিক সহায়তায় ৩৬ জন শিক্ষার্থী এই কর্মশালায় অংশগ্রহণ করে। প্রথমদিন, ইলোরা নাট্য দলের কর্ণধার মলয় ঘোষ ‘নাটক অভিনয়ের ইতিহাস ও অভিনয়ের প্রস্তুতি’ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেন, দ্বিতীয়দিন, ইলোরা নাট্য দলের বিশিষ্ট অভিনেত্রী তথা নির্দেশিকা রেইনি চৌধুরী ‘অভিনয়ের ধারা ও অভিনয়ের প্রকারভেদ’ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেন।

তৃতীয় ও চতুর্থ দিন বীরভূম মুখোশ নৃত্য ও নাট্য গোষ্ঠীর কর্ণধার সুকুমার দাস নাটকে পশু-পাখির মুখোশ কিভাবে তৈরি করতে হয় তা হাতে কলমে প্রশিক্ষণের সাথে নাটক ও মুখোশের ব্যবহার সম্পর্কে জানান। পঞ্চম ও ষষ্ঠ দিনে হাওড়া থিয়েটার ওয়ার্কার্স রেপার্টরির নাট্যগুরু সৌরভ চট্টোপাধ্যায় নাটকে শরীর ও ভয়েস এর ব্যবহার দেখিয়ে বুঝিয়ে দেন।
সপ্তম তথা শেষ দিন সিউড়ি থেকে আগত বীরভূম প্রেরণার নাট্যনির্দশক মৃণালজিৎ গোস্বামী ‘ওর্য়াকসপে নাটকের প্রাথমিক শিক্ষা পদ্ধতি’ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেন। বোলপুর নৃত্যনিকেতনের বিশিষ্ট অভিনেত্রী চৈতি রুদ্র ‘একক অভিনয়’ ও রণিত দত্ত আবহ প্রশিক্ষণের সাথে শেষ দিন “নাটকের প্রয়োজনীয়তা” বিষয়ে একটি সেমিনার সেমিনারের আয়োজন করা হয়।বিনামূল্যের এই ওয়ার্কশপে অংশগ্রহণকারীদের হাতে সার্টিফিকেট তুলে দেওয়া হয় এই নাট্য কর্মশালায় শিক্ষার্থী সজল শীল, কৌশিক সরকার, বর্ণালী কিস্কু, জ্যোৎস্না হেমব্রম, রিয়া মুসাহর, পাগলু দাস, শ্রেয়সী দাস ও টুম্পা দাস দের কথায়- “বিনামূল্যে এই নাট্য কর্মশালায় সত্যিই আমরা অনেক কিছু শিখতে পারছি, যা আগামীদিনে নাটকের সময় আরও ভালোভাবে অভিনয় করতে পারবো। বোলপুর নৃত্যনিকেতনের নাট্যগুরু অভিষেক দত্ত জানান “সকল প্রশিক্ষক খুবই আন্তরিকতার সাথে শিখিয়েছেন। আমরা চাই আরো বেশি করে কর্মশালা ভিত্তিক নাটক তৈরি করতে যেখানে শিক্ষার্থীরা নিজেরাই অনুশীলনের মধ্য দিয়ে উপলব্ধি করে নাটক তৈরি করবে, আমরা তাই আগামীতে এই ধরনের নাটকের কর্মশালা বড়ভাবে করতে চাই”।





