দোকান ঘর ফিরে পেতে হোয়াটসঅ্যাপে জনতার দরবারে আবেদন করলেন বৃদ্ধ দম্পতি l পৌরসভার থেকে প্রশাসনিক দপ্তর কাউন্সিলর থেকে থানা সর্বত্রই ছুটেছেন কিন্তু কোন সুরাহা পাননি বৃদ্ধ দম্পতি ,অবশেষে রাজনৈতিক পালাবদল হতেই রাজ্যের উচ্চশিক্ষামন্ত্রী তথা সিউড়ির বিধায়ক এর তৈরি করে দেওয়া ‘জনতার দরবারে’ হোয়াটসঅ্যাপে নিজেদের সমস্যার কথা লিখে সমাধানের আবেদন জানালেন রিনা চট্টোপাধ্যায় এবং সোমনাথ চট্টোপাধ্যায় নামে বৃদ্ধ দম্পতি l 
সিউড়ি ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা রিনা চট্টোপাধ্যায় এবং সোমনাথ চট্টোপাধ্যায় অভিযোগ করে বলেন ২০১০ সালে তাঁরা বাড়ি সংলগ্ন দুটি দোকান ঘর স্থানীয় হাসিবুর রহমান নামে ব্যক্তিকে ভাড়ায় দেন ২০২৪ সাল পর্যন্ত চুক্তির মেয়াদ ছিল ১৪ বছরের l চুক্তির মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পরও তারা দুটি জবর দখল করে রাখে বলে বৃদ্ধ দম্পতির অভিযোগ l বারবার দোকান ঘর ছেড়ে দেওয়ার কথা জানালে তাদের সাথে দুর্ব্যবহার করা হয় বলে অভিযোগ জানান বৃদ্ধ দম্পতি l এই ব্যাপারে অসহায় বৃদ্ধ দম্পতি প্রথমে স্থানীয় পরিচিতজনদের মাধ্যমে সমস্যা মিটিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলেও কোন কাজ হয়নি l বৃদ্ধ দম্পতি এক প্রকার বাধ্য হয়ে সিউড়ি পৌরসভার পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কাজী ফরজউদ্দিনকে পুরো বিষয়টি জানালেও সমস্যার সুরাহা তো তিনি করেননি, তিনি বিরোধীপক্ষের হয়েও সওয়াল করেন বলে অভিযোগ করেন বৃদ্ধ দম্পতি l পরে দোকান ঘর উদ্ধারের আশায় আইনি সহায়তা চেয়ে সিউড়ি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন l কিন্তু সেখানেও তারা বিফল হন , থানা থেকে সমস্যার সমাধানের জন্য গড়িমশি করা হয় বলে অভিযোগ l
ছবি সৌজন্যে ফেসবুক
ইতিমধ্যেই রাজ্যে পালাবদল হয়েছে l নতুন আশায় বুক বেঁধে দোকান ঘর উদ্ধারে বিধায়কের কাছে সমস্যার কথা জানাবেন ঠিক করেছিলেন বৃদ্ধ দম্পতি l কিন্তু তার আগেই রাজ্যের উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী তথা সিউড়ির বিধায়ক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বিধানসভার এলাকারজনসাধারণের কথা মাথায় রেখেই বিধানসভা এলাকার যেকোনো সমস্যা অভিযোগ সরাসরি জানাতে ও দ্রুত সমাধানের জন্য খুলেছেন হোয়াটসঅ্যাপ হেল্প লাইন ‘জনতার দরবারে’ l সূত্র মারফত হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে (8001111285) নিজেদের সমস্যার জানানোর কথা জানতে পেরে বিধায়কের উদ্দেশ্যে সমস্যার সমাধানের জন্য হোয়াটসঅ্যাপে বুকে একরাশ আসা নিয়ে ‘জনতার দরবারে’ লিখিত অভিযোগ জানান এই বৃদ্ধ দম্পতি l
মন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় অভিযোগটি পেয়ে ভাড়াটিয়া এবং মালিকের সমস্যা জেনে পুলিশকে বিষয়টি দেখার নির্দেশ দিয়েছেন l এখন দেখার জনতার দরবারের মাধ্যমে বৃদ্ধ দম্পতির মূল সমস্যার সমাধান কবে হয় l




