সিউড়ি, নলা এবং সিউড়ি প্রান্তিককে ঘিরে নতুন রেল পরিষেবা ও পরিকাঠামো উন্নয়নের বিষয়ে পূর্ব রেলের সদর দপ্তরে জেনারেল ম্যানেজার শ্রীমতি দীপিকা পাণ্ডের সঙ্গে বৈঠক করলেন রাজ্যের উচ্চশিক্ষামন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। বৈঠকে তাঁর সঙ্গে ছিলেন বীরভূমের জেলাশাসক ধবল জৈন, অতিরিক্ত জেলাশাসক শুভম আগরওয়াল-সহ প্রশাসনের আধিকারিকেরা।,
ছবি সৌজন্যে: মন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের ফেসবুক পেজ
বৈঠকে বীরভূমের রেল পরিষেবার উন্নয়ন নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোচনা হয়। বিশেষ করে সিউড়ি ও নলা ও সিউড়ি প্রান্তিককে কেন্দ্র করে নতুন রেললাইন পাতার প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে দুটি রেললাইন পাতার প্রস্তাবিত প্রকল্পের প্রক্রিয়াগত কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য একটি নির্দিষ্ট টাইমলাইন ঠিক করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
রেল সূত্রের খবর, প্রকল্প দুটিকে প্রধানমন্ত্রী গতি শক্তি প্রকল্পের আওতায় অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পূর্ব রেল। এর ফলে প্রকল্পগুলির বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে প্রক্রিয়াগত কাজ আরও দ্রুত এগোনোর সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
নতুন রেল পরিষেবা ও পরিকাঠামো গড়ে উঠলে বীরভূমের যোগাযোগ ব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে সিউড়ি ও নলা এলাকার যাত্রী পরিষেবা এবং বাণিজ্যিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
পাশাপাশি, পরিকল্পিত রেল পরিষেবা বাস্তবায়িত হলে আগামী দিনে সিউড়ি জংশন স্টেশনের মর্যাদা পেতে পারে বলেও রেল সূত্রে জানা গিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে বীরভূমের বিভিন্ন প্রান্তে রেল যোগাযোগ আরও সম্প্রসারণের দাবি ছিল। এদিনের বৈঠকে সেই দাবিকে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রশাসন ও রেল কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয়ের বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। রাজ্যের উচ্চ শিক্ষা মন্ত্রী তথা সিউড়ির বিধায়ক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় এর এই উদ্যোগকে জেলার প্রত্যেককেই স্বাগত জানিয়েছেন রাজনগরের বাসিন্দারা নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন । রেললাইন পাতার কাজ শুরু হলে কর্মসংস্থানের নতুন দিশা খুলে যাবে বলেও মনে করছেন রাজনৈতিক মহল। বিজেপি কর্মীদের মধ্যেও খুশির হাওয়া কর্মীদের ভাবি দাবি ভোটের আগে যে প্রতিশ্রুতি জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় দিয়েছিলেন কার্যত সেই প্রতিশ্রুতি ‘পূরণের পথে’ আরো একধাপ এগিয়ে গেল।




