“বিকশিত ভারতের কাণ্ডারি হোক পশ্চিমবঙ্গ”—মা তারার কাছে এই প্রার্থনাই করলেন রামপুরহাটের বিজেপি বিধায়ক ধ্রুব সাহা।বুধবার তারাপীঠে কৌশিকী অমাবস্যা উপলক্ষে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে এই প্রার্থনা করেন তিনি। কৌশিকী অমাবস্যাকে ঘিরে এদিন থেকেই কার্যত উৎসবের চেহারা নেয় শক্তিপীঠ তারাপীঠ। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের পাশাপাশি ভিনরাজ্য থেকেও ভক্তদের সমাগম শুরু হয়েছে।
রাজ্যে পালাবদলের পর শক্তিপীঠ তারাপীঠকে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন ও তীর্থকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে একাধিক উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে এদিনের অনুষ্ঠানে তুলে ধরা হয়। কৌশিকী অমাবস্যাকে কেন্দ্র করে ভক্তদের নিরাপত্তা, পরিষেবা, আলোকসজ্জা, যাতায়াত এবং অন্যান্য নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও একাধিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

কিছুদিন আগেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তারাপীঠে এসে মাতৃ দর্শন করেন। এরপর প্রশাসনিক বৈঠকে তারাপীঠকে কেন্দ্র করে একগুচ্ছ উন্নয়নমূলক প্রকল্পের কথা ঘোষণা করেন তিনি। বুধবার কলকাতায় কৌশিকী অমাবস্যা উপলক্ষে বীরভূম জেলা প্রশাসনের উদ্যোগের প্রশংসা করে ভক্তদের নির্বিঘ্নে তারাপীঠে এসে মা তারার পুজো দেওয়ার আহ্বানও জানান মুখ্যমন্ত্রী।
কৌশিকী অমাবস্যার মূল তিথি বৃহস্পতিবার। ওই দিন তারাপীঠে হেলিকপ্টার থেকে পুষ্পবৃষ্টির ঘোষণাও আগেই করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।এবার রাজ্যে পালাবদলের পর প্রথমবার কৌশিকী অমাবস্যাকে ঘিরে তারাপীঠে বিশেষ আয়োজন। ফলে বুধবার থেকেই মন্দির চত্বর এবং গোটা তারাপীঠজুড়ে সাজসাজ রব।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের কৃষিমন্ত্রী দুধকুমার মণ্ডলসহ জেলার বিজেপি বিধায়করা। উপস্থিত ছিলেন তারাপীঠ মন্দির কমিটি ও সেবায়েতদের প্রতিনিধিরা, সাধু-সন্ত এবং জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরাও। কৌশিকী অমাবস্যাকে কেন্দ্র করে ভক্তদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা ব্যবস্থার পাশাপাশি আলোকসজ্জা, পানীয় জল, পরিষেবা, ভিড় নিয়ন্ত্রণ এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় নাগরিক সুবিধার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। মন্দিরে ভক্তদের মাতৃ দর্শন আরও সহজ ও সুশৃঙ্খল করতে নেওয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা।




