সিউড়ির ভূমিপুত্র এখন রাজ্যের পূর্ণ মন্ত্রী। শুক্রবার সরকারিভাবে প্রথম অনুষ্ঠান । বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে অনুষ্ঠিত হচ্ছে “একটি গাছ মায়ের নামে” কর্মসূচি। কড়িধ্যা বিদ্যানিকেতন হাই স্কুলে পশ্চিমবঙ্গ দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ ও পরিবেশ দপ্তরের যৌথ উদ্যোগে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রদীপ প্রজ্জলন এর মাধ্যমে বিশ্ব পরিবেশ দিবসের “একটি গাছ মায়ের নামে” কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন রাজ্যের পূর্ণমন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত জেলা শাসক ধবল জৈন, জেলা পুলিশ সুপার সূর্যপ্রসাদ যাদব চিফ কনসারভেটিভ অফ ফরেস্ট অশোক প্রতাপ সিং ডিভিশনাল ফরেস্ট অফিসার রাহুল কুমার প্রমূখ। এই উপলক্ষে স্থানীয়় শিল্পী ও স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। স্কুল প্রাঙ্গণে ছাত্র-ছাত্রীদের মায়ের নামে লাগানো হয় গাছও। এই অনুষ্ঠানে 
বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন ,বীরভূমে মন্ত্রী হয়ে এটি তাঁর ‘প্রথম অনুষ্ঠান কর্মসূচি’ তাই একটু অন্যরকম ‘অনুভব’,তাঁর প্রথম কর্মসূচি সৃজনের মধ্য দিয়েই। তিনি বলেন বিশ্ব পরিবেশ দিবসে গাছ লাগালেই হবে না সেই গাছকে বাঁচাতে হবে । এই মঞ্চেই বিশ্ব পরিবেশ দিবসে তিনি ঘোষণা করেন পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রিক চুল্লি সিউড়ি সতীঘাটাই করা হবে।
একটি গাছ মায়ের নামে উৎসর্গ করে এই কর্মসূচিকে পরিপূর্ণ করতে সকলকে আহ্বান জানান ।
এরপর বৃক্ষরোপণ করে তিনি চলে যান রাজনগরে। সেখানে ভবানীপুর শম্ভুনাথ উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে বৃক্ষরোপন করেন। পরে সাংবাদিকদের বলেন রাজনগরে জল সংরক্ষণ নিয়ে তার চিন্তা ভাবনা রয়েছে।

এরপর সন্ধ্যায় বৈদ্যুতিক চুল্লির জন্য জায়গা পরিদর্শন করলেন সিউড়ির বিধায়ক তথা রাজ্যের পূর্ণ মন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় পরিবেশ বান্ধব দাহ সম্পন্ন করার জন্য জেলাশাসক ধবল জৈন ও দুবরাজপুরের বিধায়ক অনুপ সাহা কে সঙ্গে নিয়ে সতীঘাটা শ্মশান পরিদর্শন করলেন।পরে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান নির্বাচনের প্রাক্কালে সংকল্প পত্রে তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন দুই বেডের ইলেকট্রিক চুল্লি করা হবে বিশ্ব পরিবেশ দিবসে পরিবেশবান্ধব দাহ সম্পন্ন করার জন্য জায়গা পরিদর্শন করলেন তারা। সিউড়ি শহর সহ বিস্তীর্ণ এলাকার দাহ করার জায়গা একমাত্র সতীঘাটা শ্মশান কিন্তু তা দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ইলেকট্রিক চুল্লির জন্য। বিশ্ব পরিবেশ দিবসে ভূমিপুত্র তথা রাজ্যের মন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় কথা রাখায় খুশি শহরবাসী ।




