বুধবার পুরসভার চেয়ারম্যান এর পর থেকে পদত্যাগ করেছিলেন সঙ্গী ছিলেন আরো আট জন তৃণমূল কাউন্সিলর। প্রত্যেকেই সিউড়ি সদর মহকুমা শাসকের দপ্তরে গিয়ে পদত্যাগ পত্র জমা দিয়েছিলেন আর বৃহস্পতিবার প্রাক্তন চেয়ারম্যান পীযূষ পান্ডে তৃণমূল দল থেকে দলীয় পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করলেন। ফলে তৃণমূলের সঙ্গে আর তাঁর কোন রাজনৈতিক সম্পর্ক থাকলো না।
দীর্ঘ ৪০ বছরেরও বেশি সময় ধরে রাজনীতির আঙিনায় তিনি সুবিদিত । কখনো তিনি কংগ্রেস, কখনোবা তৃণমূল কংগ্রেস। এবার সাধারণ মানুষ বিধানসভার নির্বাচনে তৃণমূলকে একেবারে ‘নির্মূল’ করে দেওয়াই তৃণমূলের থেকে নিজেকে সরিয়ে রাখলেন পীযূষ পান্ডে । তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন তৃণমূলের দুর্নীতি ,তৃণমূলের বর্তমান পরিস্থিতি এবং তৃণমূলের মধ্যে দলীয় কোন্দল ও গ্রুপ রাজনীতির মারপ্যাচ থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিলেও আগামী দিনে তিনি হয়তো কংগ্রেসেই ফিরতে পারেন। আর তাই তাঁর সহযোগী কাউন্সিলররা পীযূষ পান্ডের দেখানো পথেই হাঁটছেন । সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী ছয় থেকে নয় মাস পর পুরসভার নির্বাচন, আর সেখানে তৃণমূল নয় বাম কংগ্রেস জোট হতে পারে বিজেপির প্রধান প্রতিপক্ষ ,তাই তৃণমূল কংগ্রেস থেকে সকলেই মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। দুবরাজপুরে শহর তৃণমূল কংগ্রেসের অফিস এবং সাইনবোর্ড উঠে গেল বৃহস্পতিবারই ,পীযুষ পান্ডে স্বয়ং রং দিয়ে তা মুছে দিলেন ।আগামী দিনে পীযুষ পান্ডের মুছে দেওয়া ঘর কোন রাজনৈতিক দলের অফিস হবে সেই দিকেই তাকিয়ে রয়েছে দুবরাজপুরবাসী।
পীযূষ পান্ডে কি যোগ দিতে পারেন কংগ্রেসে? প্রশ্ন ঘুরছে দুবরাজপুরে!
June 12, 2026 4:55 PM




