নতুন করে দিশা দেখাচ্ছেন সিউড়ির বিধায়ক তথা রাজ্যের উচ্চ শিক্ষা মন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। কথা দিয়েছিলেন ,কথা রাখলেনও।- আর তাতেই খুশি বিজেপি কর্মী সমর্থকরাও খুশি উপভোক্তরাও। রাজ্যের বিধানসভার ভোটের আগে বাংলার বাড়ি ও প্রধানমন্ত্রীর আবাস যোজনা নিয়ে বীরভূমের তৃণমূল নেতারা যে দুর্নীতি করেছেন ,স্বজন পোষণ করেছেন সেই বিষয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন করেছিলেন জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়।
আর বলেছিলেন বিধানসভায় জিতে এলে আবাস যোজনার দুর্নীতির তদন্ত করবেন ।শুধু তাই নয় বীরভূমে বালির যে চড়া দাম যার জন্য উপভোক্তারা বাড়ি তৈরি করতে পারছেন না বা সময়ে শেষ করতে পারছেন না তা তিনি বদলাবেন। জুন মাসে প্রশাসনিক বৈঠক সেরে ঘোষণা করেছিলেন বীরভূমের কয়েকটি ব্লকে প্রাথমিকভাবে পরীক্ষা মূলক পদ্ধতিতে জেলা প্রশাসন সাধারণ মানুষের জন্য বালির দাম যাতে দেড় হাজার টাকার মধ্যে থাকে তা তিনি দেখবেন। সেই সিদ্ধান্তকে মান্যতা দিয়েছে রাজ্য সরকার ।আর জুলাই মাসের প্রথমেই সিউড়ি এক নম্বর ব্লক ,রাজনগর ব্লকে পরীক্ষামূলকভাবে সরকার স্বীকৃত বৈধ বালী ঘাট থেকে বালি দেড় হাজার টাকার মধ্যে ট্রাক্টার পিছু যাতে আবাসের বাড়ি উপভোক্তা পেতে পারেন এই ব্যবস্থায় শুরু হলো। শুধু তাই নয় আবাস যোজনার বাড়ি নিয়ে যে দুর্নীতি তার তদন্ত শুরু করেছে প্রশাসন। পৌর এলাকায় এবং গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় যে সমস্ত বাড়ি হয়েছে তার জিও ট্যাগিং ছবি এবং উপভোক্তাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য যাচাই করছেন দায়িত্ব প্রাপ্ত প্রশাসনিক আধিকারিকেরা। দুর্নীতি প্রমাণ হলে অথবা মিথ্যার আশ্রয় কেউ নিলে অথবা বাড়ির পয়সা নিয়ে বাড়ি না বানালে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে প্রশাসন। সুদসহ সেক্ষেত্রে টাকা ফেরত দিতেও হতে পারে।




