প্রথম পাতা সংবাদ ব্রেকিং নিউজ বিশেষ প্রতিবেদন জাতীয় রাজ্য জেলা বিনোদন সাহিত্য ও সংস্কৃতি খেলাধুলা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি স্বাস্থ্য ভিডিও গ্যালারি সমাজসেবা মতামত
BREAKING NEWS:

নিরাপত্তা রক্ষী কমলো কেষ্ট কাজলের 

শাসকের আইন নয় ,আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে রাজ্যে। রাজ্যের পালা বদল হওয়ার পর থেকেই তৃণমূল নেতা থেকে শুরু করে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতিকারীদের বিরুদ্ধে রাজ্যের বিভিন্ন থানায় অভিযোগ জমা পড়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে পুরনো ফাইল ওপেন হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী রাজ্যের পুলিশকে আইন অনুযায়ী কাজ করার পরামর্শ ও  নির্দেশ দিয়েছেন । আর ইতিমধ্যেই তার সুফল দেখতে পাচ্ছে রাজ্যবাসী। একুশের ভোট পরবর্তী হামলার ঘটনায় সারা রাজ্যের পাশাপাশি বীরভূমেও বিভিন্ন থানায় তৃণমূল নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ জমা পড়েছে। সাঁইথিয়া থেকে ইতিমধ্যেই দুজন তৃণমূল নেতা বাপ্পাদিত্য দাস ও মৃত্যুঞ্জয় দাস ওরফে মুন্না কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ । বর্তমানে আদালতের নির্দেশে তাঁরা পুলিশ কাস্টডিতে রয়েছেন। ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই আবার তৃণমূল নেতা ,বিধায়কদের নিরাপত্তায় কাটছাঁট করল রাজ্য সরকার। মঙ্গলবার নির্দেশের পরেই  নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হলো বীরভূম জেলার তৃণমূলের দাপুটে নেতা অনুব্রত মন্ডলের। এতদিন তিনি ওয়াই প্লাস ক্যাটাগরির নিরাপত্তা পেতেন ১৭ জন নিরাপত্তা রক্ষী ছিল তার। বর্তমানে তিনি মাত্র একজন নিরাপত্তা রক্ষী পাবেন। বীরভূম জেলা পরিষদের বর্তমান জেলা সভাধিপতি তথা অনুব্রত বিরোধী তৃণমূল বিধায়ক তিনিও আগে ওয়াই প্লাস ক্যাটাগরির নিরাপত্তা পেতেন এখন থেকে তার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে মাত্র ৩জন নিরাপত্তারক্ষী চন্দ্রনাথ সিনহা তার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে দুইজন নিরাপত্তা রক্ষী ।আগে এনারা প্রত্যেকেই পাইলট কার পেতেন এখন থেকে কেউই পাইলট কার পাবেন না। অনুব্রত মন্ডলের নিচুপট্টির বাড়িতে সব সময় পুলিশ গার্ড থাকতো কিন্তু নয়া নির্দেশিকায় সেখানে আর কোন গাড়ি ভর্তি পুলিশ ভ্যান ও থাকবে না। শুধু তাই নয় জেলার যে সমস্ত তৃণমূল নেতৃত্ব এতদিন পুলিশি নিরাপত্তা পেতেন মঙ্গলবার রাজ্য পুলিশের নির্দেশিকায় সেই সমস্ত নিরাপত্তারক্ষী তুলে নেওয়ারও নির্দেশ দেয়া হয়েছে । বীরভূম জেলা বিজেপি সভাপতি উদয় শংকর ব্যানার্জি বলেন ,বীরভূমের বাঘ ছিলেন কেষ্ট তারা ভয় দেখিয়ে অন্যায় অত্যাচার করেছেন তাই অতিরিক্ত পুলিশ নিয়ে সুরক্ষিত থাকতেন সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করলে এত পুলিশের প্রয়োজন পড়তো না। আর সাধারণ মানুষ বলছেন বিধায়ক সাংসদ না হয়েও তিনি যে ধরনের নিরাপত্তা পেতেন তাতে সরকারের কোষাগার থেকে টাকা বের হতো আর ফল ভোগ করতেে হচ্ছে আমাদের মতন সাধারণ মানুষদের। গত ১৫ বছর ধরে তৃণমূলের নেতা ,সাংসদ -বিধায়কদের যেভাবে গাড়ি এবং নিরাপত্তার রক্ষীর পেছনে টাকা খরচা করে শুধুমাত্র বৈভব এবং ক্ষমতা প্রদর্শন করা হয়েছিল তাতে বড় শিল্প করা হতো ,কিছু বেকার সেখানে কাজ করার সুযোগ পেতো। কিন্তু তৃণমূলের নেতা বিধায়ক সাংসদরা  অন্যায় অত্যাচার দুর্নীতি করে সাধারণ মানুষের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে নিরাপত্তার ঘেরাটোপে নিজেদের নিরাপদ রেখেছিলেন এবার নির্বাচনে সাধারণ মানুষ তাঁর জবাব দিয়েছে।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

Follow Facebook

Follow Now

Subscribe Youtube

Subscribe