নুরুল – অশ্বিনীকে সামাজিক বয়কটের ডাক দিয়ে সিউড়ি দু’নম্বর ব্লকের পুরন্দরপুরে পড়লো পোস্টার।
২০২১ সালের বিধানসভা ভোট পরবর্তী হিংসার আগুনে অগ্নিগর্ভ হয়েছিল সিউড়ি ২ নম্বর ব্লক এলাকা। অভিযোগ নেপথ্য কারিগর ছিলেন তৃণমূল ব্লক সভাপতি নুরুল ইসলাম আর সহযোগী ছিলেন পুরন্দরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান অশ্বিনী মন্ডল।
অনুব্রত মণ্ডল অনুগামী ছিলেন তারা কিন্তু অনুব্রত তিহার জেল যেতেই ভোট রাজনীতি ও ক্ষমতা দখলের লড়াই শুরু হয় সিউড়ি দু’নম্বর ব্লকেও। অনুব্রত বিরোধী কাজল শেখের অনুগামী হয়ে বীরভূম জেলা পরিষদে পা রাখেন নুরুল আর অনুব্রত পন্থি অশ্বিনী মন্ডলের সঙ্গে শুরু হয় বিবাদ বাড়তে থাকে দূরত্ব পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে যায় শিউলি দুই নম্বর ব্লক তৃণমূল দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়ে রাশ ধরেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দোপাধ্যায় ওকে উত্থান হয় বকুল মন্ডলের সিউড়ি দু’নম্বর ব্লকের অঞ্চল সভাপতিদের সিংহভাগ নিজেদের দিকে আনতে সমর্থ হন বকুল অশ্বিনী জুটি তারপর ক্ষমতাঅগুলি হেলনে বিধানসভা ভোটের আগেই ব্লক সভাপতি থেকে যান নুরুল ক্ষমতার টিকে থাকার লড়াই নুরুলের সাথে আবার ভিড়ে যান অশ্বিনী মন্ডল। অনুব্রত র মনোনীত প্রার্থী নিলাবতি সাহা সদ্য হওয়া বিধানসভা নির্বাচনে পরাজিত হন জয়ী হয় বিজেপি প্রার্থী সাধারণ মানুষ মুখ খুলতে শুরু করেন পুরন্দরপুর থেকে সামাজিকভাবে বয়কটের ডাক দেওয়া হয় পোস্টার ওপরে বিভিন্ন জায়গায় আপাতত ভোটের পর থেকেই নিরুদ্দেশ নুরুল ইসলাম ও অশ্বিনী মন্ডল। অনুগামীরা থানায় আবেদন নিবেদন করলেও জনরোষের হাত থেকে বাঁচতে তাদের নিরুদ্দেশ হয়েই থাকতে হবে বলে এলাকার সাধারণ মানুষের দাবি। যদিও রাজনৈতিক কর্মী সমর্থক নেতাদের ঘরে ফেরাতে নির্দেশ দিয়েছে আদালত এখন কবে তারা নিজেদের ঘরে ফেরেন সেটাই এখন দেখার




