ফল প্রকাশ হলো উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার। রাজ্যের মেধা তালিকায় প্রথম দশে বীরভূমের তিন ছাত্র ছাত্রী। রাজ্যে প্রথম নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন স্কুলের ছাত্র আদৃত পাল তার প্রাপ্ত নাম্বার ৪৯৬ । রাজ্যের মধ্যে যৌথভাবে পঞ্চম ও মহিলাদের মধ্যে রাজ্যে প্রথম স্থান অর্জনকারী শ্রীরামপুর রমেশ চন্দ্র গার্লস হাই স্কুলের ছাত্রী মেঘা মজুমদার তাঁর প্রাপ্ত নাম্বার ৪৯২।
রাজ্যের স্থানাধিকারী কৃতি ছাত্র-ছাত্রীদের শুভেচ্ছা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ভিডিওকলের মাধ্যমে রাজ্যের প্রথম ও পঞ্চম স্থান অর্জনকারী দুই কৃতি ছাত্র-ছাত্রীর সাথে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী । নিজের ফেসবুক পেজে সে কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন মেধা ও প্রতিভার মাধ্যমে তারা রাজ্যের মুখ উজ্জ্বল করেছেন শীঘ্রই রাজ্যের প্রথম দশে থাকা কৃতি ছাত্রছাত্রীদের নবান্নে ডাকবেনএবং শুভেচ্ছা জানাবেন।
৪৯৪ পেয়ে রাজ্যে যৌথভাবে তৃতীয় সিউড়ি চন্দ্রগতি হাই স্কুলের ছাত্র সুভায়ন মন্ডল। সারাদিন স্কুল এবং টিউশন পড়ার পাশাপাশি দৈনিক গড়ে চার থেকে পাঁচ ঘন্টা করে পড়াশোনা চালিয়ে গেছে পরবর্তীতে তার ইচ্ছা চিকিৎসক হওয়ার । সিউড়ি পাবলিক এন্ড চন্দ্রগতী মুস্তাফী মেমোরিয়াল হাই স্কুলের আরেক ছাত্র তাঁতিপাড়ার তপব্রত দাস ৪৮৯ পেয়ে রাজ্যে অষ্টম স্থান অধিকার করেছে। পড়াশোনার পাশাপাশি ছবি আঁকা এবং লেখালেখি করা তাঁর শখ। ভবিষ্যতে ইঞ্জিনিয়ার কিংবা রিসার্চ করার ইচ্ছে আছে তপব্রতর। ইলামবাজারের নিউ ইন্টিগ্রেটেড গভমেন্ট স্কুল থেকে রাজ্যে অষ্টম স্থানে পুষ্পিতা বাশুরী তার প্রাপ্ত নাম্বার ৪৮৯ । রাজ্যে যৌথভাবে তৃতীয় হওয়ায় মুখ্যমন্ত্রীর শুভেচ্ছা নিয়ে হাজির বীরভূম জেলা প্রশাসনের পক্ষে অতিরিক্ত জেলাশাসক (সাধারণ) সৌভিক চট্টোপাধ্যায়
রাজ্যের প্রথম দশে স্কুলের দুই কৃতি ছাত্র এমন ভালো ফলাফলের পিছনের রসায়ন জানালেন সিউড়ি পাবলিক এন্ড চন্দ্রগতী মুস্তাফী মেমোরিয়াল হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক সুমন্ত রাহা । তিনি বলেন শিক্ষক, ম্যানেজিং কমিটি এবং অভিভাবকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দলগতভাবে
এই সাফল্য ।’টিম চন্দ্রগতি স্কুল ‘এই ধারা বজায় রাখার জন্য গত কয়েক বছর ধরে চেষ্টা চালিয়ে আসছে। শুধু তাই নয় দুর্নীতি মুক্ত শিক্ষাঙ্গন করতে তারা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ বলে জানিয়েছেন।




