
আর্ট অফ লিভিং ফাউন্ডেশনের স্রষ্টা বিশ্ব বিখ্যাত ভারতীয় আধ্যাত্মিক মানবতাবাদী গুরু শ্রী শ্রী রবি শংকর জির 70 তম জন্ম দিবস উদযাপিত হল মহাসমারোহে।বিশ্বজুড়ে শান্তি, মানবতা ও আত্মিক চেতনার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া আধ্যাত্মিক গুরু শ্রী শ্রী রবিশংকর-এর জন্মদিন উপলক্ষে বুধবার নানা প্রান্তে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বিশেষ প্রার্থনা, ধ্যান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। একই ছবি বীরভূমেও ।
১৯৫৬ সালের ১৩ মে দক্ষিণ ভারতের তামিলনাড়ুতে আর এস ভেঙ্কট রত্নম এবং শ্রীমতি বিশালাক্ষী রত্নমের ঘরে এক আইআর ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন শ্রী শ্রী রবি শংকর ।১৯৮১ সালে প্রতিষ্ঠা করেন আর্ট অফ লিভিং ফাউন্ডেশন, যার মূল উদ্দেশ্য মানুষের মানসিক চাপ দূর করা, আত্মিক উন্নয়ন ঘটানো এবং সমাজে শান্তি ও সৌহার্দ্য প্রতিষ্ঠা করা।

বর্তমানে বিশ্বের ১৮০টিরও বেশি দেশে আর্ট অব লিভিং-এর কার্যক্রম বিস্তৃত। যোগ, প্রাণায়াম, ধ্যান ও ‘সুদর্শন ক্রিয়া’-র মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ মানুষকে সুস্থ ও ইতিবাচক জীবনের পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দাবি করে এই সংস্থা। প্রাকৃতিক বিপর্যয়, যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকা এবং সামাজিক অশান্তির সময়েও মানবিক সহায়তা ও শান্তি প্রতিষ্ঠার কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে তারা।শ্রী শ্রী রবিশংকর বহুবার জাতিসংঘ, বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম সহ আন্তর্জাতিক মঞ্চে বক্তব্য রেখেছেন। আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতি, যুব সমাজের উন্নয়ন এবং মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের ক্ষেত্রেও তাঁর উদ্যোগ আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত হয়েছে।
তাঁর অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ভারত সরকারের পক্ষ থেকে ‘পদ্মবিভূষণ’ সম্মাননা সহ ব্রাজিল, প্যারাগুয়ে, কলম্বিয়া, মঙ্গোলিয়া সহ একাধিক দেশের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান লাভ করেছেন তিনি। জন্মদিন উপলক্ষে তাঁর অনুগামীদের বক্তব্য, বর্তমান অস্থির বিশ্বে শান্তি ও মানবিকতার বার্তা আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিকশ্রী শ্রী রবি শংকর জীর জন্মদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে সারাদেশের সাথে পালিত হলো বীরভূমেও।

রামপুরহাট বোলপুরের পাশাপাশি সিউড়িতেও পথ চলতি মানুষকে সকালে শরবত বিতরণ করা হয় । রামপুরহাট ও বোলপুরে সন্ধ্যায় সৎসং অনুষ্ঠিত হয় ,বিতরণ করা হয় প্রসাদও ।
একইভাবে বুধবার গুরুজীর জন্মদিন উপলক্ষে সন্ধ্যায় সিউড়ি রবীন্দ্র সদনে কেক ও মিষ্টি দিয়ে গুরু দেবের জন্মদিন পালন করা হয় । গুরুপুজন ও ভজন গান করেন আর্ট অফ লিভিং এর শিক্ষক পল্লব হালদার ও শিক্ষিকা পিয়ালী সেনগুপ্ত। এর আগে সঙ্গীত পরিবেশন করেন সংস্কার ভারতীর সিউড়ি শাখার শিল্পীরা। অনুষ্ঠান শেষে সকলকে প্রসাদ বিতরণ করা হয়।




