নবান্নে পা রাখলেন বিজেপির বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। গার্ড অফ অনার দেওয়া হলো পুলিশের পক্ষ থেকে। মন্ত্রিসভার দপ্তর বন্টন করে মুখ্যমন্ত্রী (দিলীপ ঘোষ পেলেন পঞ্চায়েত গ্রামোন্নয়ন এবং প্রাণিসম্পদ বিকাশ দপ্তর, অগ্নিমিত্রা পল পেলেন পুর দপ্তর, নারী ও শিশু কল্যাণ দপ্তর, নিশীথ প্রামানিক উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন ক্রীড়া ও যুব কল্যাণ দপ্তর ,অশোক কীর্তনীয়া খাদ্য দপ্তর এবং ক্ষুদিরাম টুডু আদিবাসী উন্নয়ন দপ্তর।)
রাজ্য প্রশাসনের আইএএস, আইপিএস সহ মুখ্য সচিব স্বরাষ্ট্র সচিব ডিজিপিও সিপির সঙ্গে বৈঠক করেন পরে ক্যাবিনেট মন্ত্রিসভার বৈঠক বসে । মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে যোগ দিয়ে মন্ত্রিসভার প্রথম দিনে সরকার গড়ার জন্য সকলকে ধন্যবাদ জানান মুখ্যমন্ত্রী। সুশাসন- সুরক্ষা এবং সামাজিক ন্যায়-নীতি মেনে জনগণের জন্য সরকার কাজ করবে জানিয়ে দিয়ে প্রথম ক্যাবিনেটের ছটি সিদ্ধান্ত সাংবাদিকদের জানান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
ভারতীয় জনতা পার্টির ৩২১ জন অকালে ঝরে যাওয়া আত্ম বলিদান করেছেন এমন কর্মী সমর্থকদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে তাদের পরিবারকে ন্যায় বিচারের পাশাপাশি সামাজিক দায়-দায়িত্ব সরকার কাঁধে তুলে নিয়েছেন।অনুপ্রবেশ বন্ধে সুরক্ষার প্রশ্নে জমি হস্তান্তর করার প্রক্রিয়ার অনুমোদন দিয়েছেন যা ৪৫ দিনের মধ্যেই বিএসএফের হাতে পৌঁছে দিতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প এবং কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলির সাথে রাজ্যের যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ভারতীয় ন্যায় সংহিতা রাজ্যে চালু। রাজ্য সরকারি পরীক্ষায় আবেদনের উর্ধ্বসীমা পাঁচ বছর বাড়ালো রাজ্য সরকার। চালু থাকা সামাজিক প্রকল্প বন্ধ হচ্ছে না। সামাজিক কল্যাণকর কর্মসূচি বন্ধ এই সরকার করছে না কিন্তু সেগুলি স্বচ্ছতার সঙ্গে হবে বলে সাংবাদিকদের জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, পয়লা জুন থেকে অন্নপূর্ণা ভান্ডার মহিলাদের দেওয়া হবে প্রতি মাসে ৩০০০টাকা।শুধু তাই নয় সরকারি বাসে বিনা পয়সায় তারা যাতায়াত করতেও পারবেন ।
বিজেপি সরকারের প্রথম দিনে শপথ নেওয়ার পর নবান্নে শুভেন্দু অধিকারী খুশির হাওয়া রাজ্যজুড়ে এই আবহে বীরভূমেও কর্মী সমর্থকরা আনন্দে মেতে উঠলেন। সোমবার সন্ধ্যায় বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। ঝান্ডা হাতে শহর পরিক্রমা করলেন, মিষ্টিমুখ করালেন পথ চলতি আমজনতাকে।




