নির্বাচন পরবর্তী হিংসাত্মক ঘটনা রুখতে এবার তৎপর হলো বীরভূম জেলা পুলিশ প্রশাসন সাংবাদিক সম্মেলন করে জেলাশাসক স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন বীরভূম রবীন্দ্রনাথের শান্তির জায়গা এখানে কোন প্রকার শারীরিক শক্তি প্রদর্শন করা যাবে না । জেলাশাসক ধবল জৈন বলেন,ছয়মাস আগে বীরভূমের জেলাশাসক হিসেবে দায়িত্বভার যখন তিনি গ্রহণ করেন তারপরই শুরু হয় এসআইআর প্রক্রিয়া ,সেই সময়ও জেলা জুড়ে কোন বড়োসড় অশান্তি খবর মেলেনি। তেইশে এপ্রিল সুষ্ঠুভাবে বিধানসভার নির্বাচন অতিবাহিত হলেও রেজাল্ট আউটের পর থেকে জেলা জুড়ে বেশ কয়েকটি হিংসাত্মক ঘটনা ঘটে। তারপরই নড়েচড়ে বসেছে বীরভূম জেলা প্রশাসন ।বুধবার বীরভূমের জেলাশাসক ধবল জৈন জেলা পুলিশ সুপার সূর্য প্রসাদ যাদব ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর আধিকারিক( ডিস্ট্রিক্ট ফোর্স কোঅর্ডিনেটর) নিগম কে সঙ্গে নিয়ে বীরভূম প্রশাসন ভবনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন।
জেলাশাসক স্পষ্টতই জানিয়ে দেন কেউ যদি আইনকে হাতে তুলে নেন তাহলে তা বরদাস্ত করা যাবে না এবং তাঁকে এরেস্ট করা হবে এবং কোনোভাবেই তাঁকে ছাড়া হবে না । জেলাশাসক শুধু এখানেই থেমে থাকেননি জেলার সমস্ত মানুষের কাছে, অভিভাবকদের কাছে আবেদন করেছেন ,আপনাদের ছেলেদের বোঝান বীরভূমে কোনোভাবেই হিংসা বরদাস্ত করা হবে না ,কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে- কাউকে ছাড়া হবে না। পাশাপাশি জেলাশাসক জানিয়ে দেন কোন প্রকার বাইক মিছিল ,বিজয় মিছিল করা যাবে না ,সরকারি সম্পত্তির কোন ক্ষয়ক্ষতি করা যাবে না এমনকি সরকারি কাজে হস্তক্ষেপ করাও যাবে না। কেন্দ্রীয় বাহিনীর পক্ষে নিগম জেলাশাসকের কথার রেস ধরে জানান নির্বাচন পরবর্তী সময়ে হিংসা রুখতে তাঁরা সমস্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন ,এক্ষেত্রে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে ।কোন অবস্থাতেই দোষী কাউকে ছাড়া হবে না।
পুলিশ সুপার সূর্যপ্রতাপ যাদব জানান বীরভূম জেলা প্রশাসন ,পুলিশ প্রশাসন এবং ডিস্ট্রিক্ট ফোর্স কোঅর্ডিনেটর একটি টিম হিসেবে ইলেকশনে কাজ করেছে এবং ইলেকশন পরবর্তী সময়েও একইভাবে টিম হিসাবেই তাঁরা কাজ করছেন । ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনায় এখনো পর্যন্ত ১৩ টি কেস রুজু করা হয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে যুক্ত ৪৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছেও বলে জানান বীরভূম জেলার পুলিশ সুপার সূর্যপ্রতাপ যাদব। জেলার প্রতি থানাতে এক কোম্পানি করে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়ন করা আছে ।ভোট পরবর্তী হিংসার কাজে এই কেন্দ্রীয় বাহিনী তৎপর রয়েছে। ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনায় নানুরে বলি হয়েছে একজন এবং সেই ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানান জেলা পুলিশ সুপার। আইন শৃঙ্খলা রক্ষা করা এখন জেলা প্রশাসনের কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ তাই সম্মিলিতভাবেই সকলে সেই কাজই করে চলেছেন বলেই জানালেন জেলা পুলিশ সুপার।
নির্বাচন পরবর্তী গ্রাম পরিদর্শনে অতিরিক্ত জেলা সমাহর্তা সাধারণ 




