ক্যামেরা চালু হলেই ভোট শুরু ,দুই ধাপ আইডি চেক করার পর ভোটের অনুমতি
ক্যামেরা চালু হলেই ভোট শুরু অবাধ সুষ্ঠু এবং ফেয়ার নির্বাচন করতে বদ্ধপরিকর নির্বাচন কমিশন তাই ভোট গ্রহণ কেন্দ্রে তার ভিতরেই হোক আর বাইরেই হোক সর্বক্ষণ সতর্ক নির্বাচন কমিশন। কমিশনের সিদ্ধান্ত মকপোল হয়ে যাওয়ার পরেও যতক্ষণ না ক্যামেরার টেকনিশিয়ান ক্যামেরা ওকে বলছেন ততক্ষন ভোটগ্রহণ শুরু করা যাবে না অর্থাৎ নিশ্চিন্তে ভোট গ্রহণ হচ্ছে সেই ছবিটি জেলা নির্বাচনী অধিকারীক মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক কিম্বা নির্বাচন দপ্তর যাতে মনিটারিং করতে পারেন সেই ব্যবস্থা এবারে ভোটে দেখা যাচ্ছে। সাংবাদিক সম্মেলন করে একথা জানান সিউড়ির বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়।
আগামী ২৩ শে এপ্রিল মঙ্গল বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফা ভোট অন্যান্য জেলার পাশাপাশি বীরভূমে এগারোটি আসনে ভোট হবে। প্রতিটি বুথেই থাকবে ক্যামেরা।
দুই ধাপে পরিচয় যাচাই করে ভোট দিতে পাবে প্রকৃত ভোটাররা, আর তা না হলে ভোট দিতে পারবেন না। প্রথম ধাপে কেন্দ্রীয় বাহিনী আইডি চেক করবে দ্বিতীয় ধাপে বি এল ভোটার যাচাই করবে ভোটারদের অরিজিনাল আইডি না থাকলে পাস নয় ।দুই ধাপ পেরোলেই ভোটের অনুমতি মিলবে শুধু তাই নয় ভোট গ্রহণ কেন্দ্রের ১০০ মিটার মধ্যে কোন রাজনৈতিক দলের পতাকা বা প্রচার নিষিদ্ধ করা হয়েছে, ভোট চলাকালীন পর্যন্ত কোথাও অবৈধ জমায়েত করা যাবে না এমনি সব নির্দেশ জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। শুধু তাই নয় পোলিং এজেন্টদের মোবাইল ফোন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পোলিং এজেন্ট দের বুথে আসা বা বাইরে যাওয়ার সময় অবশ্যই পোলিং এজেন্টকে মুভমেন্ট সিটে সই করতে হবে। সকাল সাতটা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ চলবে। সন্ধ্যা ছটার সময় যে সমস্ত ভোটাররা ভোটার লাইনে দাঁড়িয়ে যাবেন তাদের স্লিপ দেবেন প্রিসাইডিং অফিসার। বীরভূম জেলার মোট ভোটার ২৬ লক্ষ ৯১ হাজার ৩৮৬ যার মধ্যে পুরুষ ভোটার ১৩ লক্ষ ৬৭ হাজার ২৮৬ এবং মহিলা ভোটার ১৩ লক্ষ ২৪ হাজার ৬৭ বীরভূম জেলায় নির্বিঘ্নে ভোট দেওয়ার জন্য মোট ৩২৫৬টি বুথ করা হয়েছে যার মধ্যে অতিরিক্ত বুথ সংখ্যা ১৮০ টি ও স্পর্শকাতর বুথ রয়েছে ১৪০০ টি।প্রতি বুথে চার জন জওয়ান একই জায়গায় দুটি থাকলে ছয় জন জওয়ান একটি চত্বরে চারটি বুথ থাকলে মোট ১৬ জন জওয়ান থাকবেন।




