মৃণালজিৎ গোস্বামী , বীরভূম
আপনারা অনেক লাইন দিয়েছেন এবার নিজের ভবিষ্যতের জন্য আর একদিন লাইন দিয়ে ভোট দিন। কাউন্টিং এর সময় ওরা ধীরে ধীরে কাউন্টিং করবে, মাঝেমধ্যে রটিয়ে দেবে বিজেপি জিতছে বলে কিন্তু আপনারা একদম বিশ্বাস করবেন না। তারপরই মমতা আত্মবিশ্বাসের সুরে বলেন ২০২৬ সালে বিধানসভার ভোটে ২২৬ টি আসন তাঁরা পাবেন। দিল্লির লাড্ডু দিয়ে বাংলা দখল হবে না। সিউড়ি ইরিগেশন কলোনির ময়দানে দলীয় প্রার্থী উজ্জ্বল চ্যাটার্জির সমর্থনে নির্বাচনী জনসভায় এমন আত্মবিশ্বাসের সুর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গলায়। জেলার উন্নয়নের কথা বলতে গিয়ে বক্রেশ্বর থেকে শুরু করে পাথরচাপুড়ির মাজার ,জেলার পাঁচটি সতীপীঠ এমনকি মামা ভাগ্নে পাহাড় ও সংলগ্ন পাহাড়েশ্বর মন্দিরের উন্নয়ন করা হয়েছে , আগামী দিনে এই বীরভূম ইন্ডাস্ট্রিয়াল ও ট্যুরিজম ডেস্টিনেশন হবে । বীরভূমের সিউড়িতে দলীয় প্রার্থী উজ্জ্বল চ্যাটার্জির সমর্থনে নির্বাচনী জনসভায় এমনটাই দাবি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। উন্নয়নের ফিরিস্তি শোনাতে গিয়ে তিনি বলেন , এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম কয়লাখনি দেউচা পাঁচামি তে কাজ শুরু হয়েছে ,এখানে প্রায় এক লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান হবে এখন সেখান থেকে পাথর উত্তোলন হচ্ছে। কয়লা খনিকে ঘিরেই আরো কর্মসংস্থান হবে, যদিও রাজ্য সরকার অনেকের চাকরি দিয়েছেন এবং ক্ষতিপূরণও ছোঁয়াতে সেন্টারের ছোঁয়া মিউজিক দিয়েছেন, আগামী দিনে যাদের জমি যাবে তারাও ক্ষতিপূরণ ও সরকারি চাকরি পাবেন । গোটা বীরভূমে প্রত্যেকটি জায়গায় উন্নয়ন হয়েছে দাবি করে মমতার ব্যঙ্গ তৃণমূলকে চোরের দল বলে বেড়াচ্ছে বিজেপি, রাজ্যের উন্নয়ন তারা দেখতে পাচ্ছে না , এরপর তাঁর আশ্বাস বাংলায় তৃণমূল থাকলে সরকারের সমস্ত সুযোগ সুবিধা পাওয়া যাবে তারপর সরকার কি কি সুবিধা দিয়েছে সেই প্রকল্পের লিস্ট শুনিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন ,আগামী দিনে আপনাদের আশীর্বাদে ক্ষমতায় এলে সব কাঁচা বাড়ি পাকা হবে, প্রত্যেকটি বাড়িতে জল পৌঁছাবে । তাঁর দাবি তিনি মুখে যেটা বলেন সেটাই করেন। এরপর কেন্দ্র সরকারকে একহাত নিয়ে বলেন, ১০০ দিনের টাকা, আবাস যোজনার টাকা কেন্দ্রিয় বিজেপি সরকার বাকি রেখেছে আমরা নিজেরাই পথশ্রী প্রকল্পে রাস্তা করেছি -বাংলার বাড়ি বানিয়ে দিচ্ছি। এরপর তিনি সিউড়ির প্রার্থী উজ্জ্বল চ্যাটার্জী, বোলপুরের প্রার্থী চন্দ্রনাথ সিনহা, রামপুরহাটের প্রার্থী আশীষ বন্দ্যোপাধ্যায়, হাসনের প্রার্থী ফায়েজুল হক এবং লাভপুরের প্রার্থী অভিজিৎ সিংহ ওরফে রানাকে উপস্থিত সমর্থকদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। আজকের এই সভা মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন জেলা তৃণমূল কোর কমিটির কনভেনার অনুব্রত মণ্ডল, কোর কমিটির সদস্য বিকাশ রায়চৌধুরী, রবি মুর্মু সহ জেলা ও শহর এবং ব্লক স্তরের তৃণমূল নেতৃত্ব।
কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে ময়ূরাক্ষী কটন মিলকে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক হিসেবে গড়ে তোলা হবে। ডেউচা পাঁচামি কয়লা খনি অঞ্চলকে ঘিরে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে লক্ষাধিক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ ঘটবে ফের জানিয়ে তিনি বলেন বীরভূমের মাটি সোনার চেয়েও খাঁটি। নির্বাচনের সময় এই মাটিতে এসে বিজেপি মিথ্যা কথা বলছে ।আমরা ইলেকশনের সময় ভাঁওতা দিই না ,যারা কিছু দেবো বলে তারা ইলেকশন এর পরে আর দেয় না । ইলেকশনের পরে তারা বুলডোজার চালায়। উদাহরণ দিতে গিয়ে তিনি বিহার প্রসঙ্গ টেনে আনেন তিনি, বলেন বিহার ভোটের সময় বিজেপি মহিলাদের আট হাজার টাকা করে দিয়েছে কিন্তু ইলেকশন শেষে তাদেরকে বলা হচ্ছে টাকা ফেরত দিন । এরপরই তিনি বিজেপি সরকারকে কটাক্ষ করতেও ছাড়েননি ।আমাদের ১০৫ টা সোশ্যাল স্কিম আছে সকলের জন্য। বাংলা তথা বীরভূমে শিল্প এবং শিল্পীর যুগলবন্দী ঘটেছে । বন্ধ হবে না লক্ষ্মীর ভান্ডার আমাদের সরকার যতদিন থাকবে লক্ষ্মীর ভান্ডার ততদিন বন্ধ হবে না সাফ জানালেন জননেত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। । আমরা দুয়ারে সরকার, পাড়ায় সমাধান, এর মাধ্যমে উন্নয়নের কাজ করেছি আমাদের সরকার থাকলে লক্ষীর ভান্ডার আজীবন চলবে । এরপর সরাসরি বিজেপির নাম না নিয়ে সাবধান করে মমতা বলেন “এরা গ্রুপ করে বিশজনকে হাতে হাতে টাকা দিচ্ছে ,ওই টাকা নেবেন না ,ব্যাংক একাউন্ট আমার নাম করে বললেও কেউ দেবেন না ,যেটুকু টাকা আছে সব তুলে নেবে ।যদি নতুন ব্যাংক একাউন্ট করে তাহলে কালো টাকা ঢুকিয়ে দেবে, তারপরেই ইনকাম ট্যাক্স ,ইডি, সিবিআই ,চলে আসবে, ভুল করবেন না আমার কাজ আপনাদের সতর্ক করা ,সাবধান করা।” নাম না করে বিজেপি প্রার্থীর জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় কে কটাক্ষ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন সিউড়ির মাটিতে যারা দাঁড়িয়েছে ওরা রাজনগরের রেললাইন করে দেবে ?বাংলা রেলের কিছু পাইনি, আমি যা করেছিলাম রেলমন্ত্রী হিসেবে এই প্রজেক্ট চলছে আর ইলেকশনের আগে যারা কিছু বলে তারা কিছু করে না। ওরা মিথ্যাবাদী ,তাঁরা মিথ্যাচারী ,তাঁরা দুরাচারি তাঁরা অত্যাচারী তাঁরা ভোট কাটারি। এসআই আর নিয়ে সরব হোন মমতা , তিনি বলেন “সংবাদ মাধ্যম থেকে জানতে পারলাম উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী বলে গেছেন উত্তরপ্রদেশের মতন এখানে বুলডোজার চলবে, মানেটা কি ?জানতে চেয়ে মমতার প্রতিক্রিয়া আমি বুলডোজার এ বিশ্বাস করিনা, আমি মনুষ্যত্বকে বিশ্বাস করি ভালোবাসায় বিশ্বাস করি মানবিকতায় বিশ্বাস করি । আমার ধর্মের নাম মানব ধর্ম ,আমি সাম্প্রদায়িক রাজনীতি করি না, আমি সব ধর্মের মানুষকে নিয়ে চলি, সব উৎসবকে মান্যতা দি।” মঞ্চ থেকে সকলকে আগাম শুভ নববর্ষের শুভেচ্ছা দিয়ে মমতা বলেন আমাকে ধর্ম শেখাবেন না আমাদের ধর্ম আপনারা তৈরি করে দেবেন না ,স্বাধীনতা আন্দোলনে বিজেপি- সিপিএম ছিল না। মহাত্মা গান্ধী নেতাজি সুভাষচন্দ্র ,আম্বেদকর ,রবীন্দ্রনাথ সকলে মিলেই দেশটাকে স্বাধীন করেছেন।এরপর কেন্দ্রীয় সরকারকে নিশানা করে বলেন ,’এখানে ইতিহাসবদলে ফেলা হচ্ছে।
পড়াশোনার সিলেবাসও পাল্টে দেওয়া হচ্ছে,বাংলার ইতিহাস বদলে দেওয়া হচ্ছে ‘।যারা রবীন্দ্রনাথ সম্বন্ধে তথ্য জোগাড় করতে পারেন না তাঁরা বাংলার খবর কি করে রাখবেন তাঁদের “সোনার বাংলা” বলার অধিকার নেই । প্রশ্ন তুলে মমতা বন্দোপাধ্যায় বলেন, “ভোট আসলে কাকের বাড়িতে কোকিল ডিম পাড়ে আর বিজেপি বাংলায় এসে ডিম পাড়ে আর বলে সোনার বাংলা গড়ে দেবো।” মূল্যবৃদ্ধি করে দেশটাকে এরা ধ্বংস করে দিয়েছে। সাধারণ মানুষ চাষীদের এরা মেরে ফেলেছে, দাম কমানো তো নেই বরং দিন দিন বেড়ে চলেছে গ্যাসের, তেলের, রেলের টিকিটের দাম। কেন্দ্রীয় সরকার বাংলার টাকা দেয় না, জিএসটি তুলে নিয়ে যায়। তাঁরা ১০০ দিনের কাজ ,গ্রামীণ রাস্তার কাজ সব বন্ধ করে দিয়েছে আমরা তা চালু রেখেছি। বাংলার বাড়ি, ওরা বন্ধ করে দিয়েছে। আবাস যোজনা আমরা চালু রেখেছি। ওরা জলস্বপ্ন প্রকল্পের টাকা বন্ধ করলেও আমরা আগামী দিনে প্রত্যেকটি বাড়িতে নল বাহিত জলের ব্যবস্থা করে দেব বলে অঙ্গীকার করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্রীয় প্রকল্পে কর্মস্থানে সুযোগ করে দিতে পারেনি বিজেপি। তাঁরা বাংলায় কর্মস্থানের সুযোগ করবে কি করে? বাংলায় ওরা একটা রেজিমেন্ট করতে পারেনি বিজেপিকে দেশ থেকে তাড়িয়ে আমরা বাংলা রেজিমেন্ট করব বলেও নির্বাচনী মঞ্চ থেকে প্রতিশ্রুতি দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।উত্তরপ্রদেশে রাজস্থানে বাংলা ভাষাভাষীদের ওপর অত্যাচার হয় আমরা তো কোন অন্য ভাষাভাষী লোকেদের উপর অত্যাচার করি না আর ভোটের সময় তোমরা এই বাংলায় এসে ভোট চাও এই বাংলার মানুষকে রাস্তায় লাইনে দাড় করিয়েছো বাংলার মানুষ বিজেপিকে চায় না। বাংলার মাটি বিজেপিকে সহ্য করে না ।আর কোন দলকে এবার ভুলেও ভোট দেবেন না ।এবারের যুদ্ধ আমরা লড়ে যাচ্ছি আমরা রাস্তা থেকে কোর্ট আপনাদের জন্য লড়ছি তাই আমাদের বলছে ‘আল্টিমেটাম দিলাম’ আমরা বলছি ‘দাও’ ওটা আমরা আশীর্বাদ হিসেবে নিলাম ।এটা প্রমাণ হয়ে গেছে তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়া মানুষের জন্য আর কেউ লড়াই করে না, রাস্তায় থাকে না বিপদে আসে না দুর্যোগে আসে না দাবি মমতার। তোমরা তৃণমূলকে চার্জশিট দিয়েছো? তৃণমূল চোর তুমি সাধু! তোমার নেতারা কয়লা থেকে কত টাকা তোলে। হলদিয়া বন্দর থেকে কত টাকা তোলে কত ভাগ নিজেরা নেয় কত ভাগ দিল্লিতে যায় সৌজন্যের খাতিরে আমি সেই নামগুলো প্রকাশ করছি না জানিয়ে মমতা বলেন বিজেপি তোমার সাথে এটাই আমাদের পার্থক্য সাধারণ জনগণ বুঝে যাবেন, ইশারাই কাফি।”
বাংলার মানুষ যখন পড়ে পড়ে মার খায় তখন তোমরা কোথায় থাকো? মুখে লালিপপ খাও নাকি মুখে প্লাস্টার হয়ে থাকে বিজেপিকে কটাক্ষ করে সিউড়ির নির্বাচনী জনসভা থেকে প্রশ্ন মমতার। বিজেপি বেছে বেছে বহু নাম বাদ দিয়েছে বিশেষ করে মহিলাদের নাম, সবাইকে ওরা বরবাদ করছে, তাই আগামী দিনে ওদেরকেই বাদ দিতে হবে বলে আহ্বান জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর মমতার অভিযোগ ওরা এলাকায় এলাকায় টাকা বিলি করছে যাতে কেউ ধরতে না পারে তা পুরনোদের বাদ দিয়ে দিয়েছে সবাইকে অনুরোধ যে পাঠিয়ে দিয়েছো কারণ বিহার থেকে টাকা আসছে ভোটারও আসছে তারা নাকি আপনাদের জায়গায় ভোট দিয়ে দেবে। রেলে করে ওরা লোক আনবে। অমিত শাহকে নাম না করে কটাক্ষ করে বলেন মোটা ভাই এর জায়গা থেকেও লোক আনছে বিজেপি শাসিত ১৯ টি রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় সরকার এক হয়ে জড়ো হয়েছে আমি একা লড়ছি মানুষকে নিয়ে মানুষ ১০০ আর আমি ১০১। কর্মসংস্থান মোদির সরকার করেনি কেন? সব রাজ্যে চাকরি খেয়ে বাংলায় চাকরি দেবেন কি করে? আমরা কর্মসংস্থান করব চাকরি দেব আমরা চাকরি দিলেই ওরা কোর্টে গিয়ে কেস করে । বিজেপির ধর্ম মানে বিষবৃক্ষের ধর্ম ,বিজেপি কোন ত্যাগী নয় ওরা ভোগী। ভোটের আগে ওরা এখন টাকা দেবে দুদিন পর বুলডোজার চালাবে। টাকা নেবেন কি নেবেন না তা আপনারা ঠিক করবেন তবে ভুল করে অন্য কোথাও ভোট দেবেন না আহ্বান করলেন জননেত্রী মমতা ব্যানার্জি। অন্য রাজ্যে বোঝাপড়া করলেও আমাদের বাংলাকে পারবে না। বাচ্চাদের মাথা খাওয়ার জন্য মন কি বাত অনুষ্ঠান করে নিজের কথা বলছে আর বাচ্চাদের মাথা গুলো খাচ্ছে নাম না করে সিউড়ির নির্বাচনী জনসভা থেকে ফের মোদিকে কটাক্ষ করলেন মমতা। বাংলার শ্রমিকদের যোগ্যতা আছে তাই তাদেরকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। আর অন্য রাজ্যের দেড় কোটি শ্রমিক এ রাজ্যে কাজ করে। আমরা তাদেরকে কোন অত্যাচার করিনা, তাড়াই না ভোটের সময় টাকা দিয়ে বিভিন্ন রাজ্য থেকে লোক নিয়ে আসেন তাই আমাকে লোক দেখাবেন না। তারা সব বাংলার নয় তারাই বরং বহিরাগত। সিউড়িতে প্রার্থী তিনি নিজেই ফের তা মনে করিয়ে মমতা বলেন বহিরাগতদের হাত থেকে যদি বাংলাকে রক্ষা করতে হয় তাহলে একটি ভোটও অন্য কাউকে দেবেন না সিউড়ি বিধানসভায় উজ্জ্বল নয় আমাকে ভোটটা দিন সরকার গঠন করতে হলে রাজ্যের ২৯৪ কোটি আসনেই তাকেই ভোটটি দেওয়ার আহবান করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এরপর মোদিকে কটাক্ষ করে তাঁর বক্তব্য আপনি প্রধানমন্ত্রী আছেন প্রচারে গিয়ে রাজ্যের সব আসনেই আপনি প্রার্থী বলছেন তাহলে প্রধানমন্ত্রীর পর থেকে আগে ইস্তফা দিন। কোন পদটা নেবেন প্রধানমন্ত্রী না বাংলার মুখ্যমন্ত্রী আপনি তো বাংলায় বহিরাগত মঞ্চে গিয়ে বলছেন সব আসনেই আপনি প্রার্থী আগে নিজের দিকটা সামলান তারপর বাংলার দিকে তাকান বাংলার দিকে যদি কেউ বিষ চক্ষু নিয়ে তাকায় তার চোখ গেলে দেবে মানুষ ।

বাংলায় অনেক কিছু হয়েছে বাংলা থেকে কাউকে কোন ডিটেনশন ক্যাম্পে পাঠানো হবে না বলে ফের হুশিয়ারি দিলেন মমতা এনআরসির নাম করে বাংলাকে ভাগ করার চক্রান্ত হবে না বাংলার মানুষ বাংলায় থাকবে বাংলা অনুপ্রবেশকারীদের কারখানা বিজেপি বলছে অথচ ২০২৫ এ যারা এসেছে তাদেরকে লুকিয়ে লুকিয়ে নাগরিকত্ব দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে বিজেপি আর তার আগে যারা রয়েছে ,সারা জীবন ধরে রয়েছে তাঁদেরকে প্রমাণ করতে হবে তাঁরা ভারতের নাগরিক কিনা? শুধু তাই নয় ক্ষুব্ধ মমতা বলেন মনোনয়ন দাখিল করার সময় স্কুটিনির নাম করে চার ঘন্টা ধরে তাঁকে হয়রানি করা হয়েছে।’ আমি এদের ছেড়ে দেব না আপনারা ছেড়ে দিলেও আমি ছাড়বো না’ বলে ফের হুমকি দেন মমতা। তিনি বলেন জীবন দিয়ে লড়ে যাব আমার জীবনে মানুষ ছাড়া কিছু নেই যতদিন বাঁচবো আপনাদের জন্য কাজ করব এবং অনেক কাজ করেছি। এবার কর্মী সমর্থকদের উদ্দেশ্যে মমতার পরামর্শ বিজেপি যদি হামলা করে দখল করার চেষ্টা করে তাহলে মা বোনেরা রথযাত্রার রাস্তায় ঝাঁট দেওয়ার মত ঝাঁট দিতে দিতে ভোট গ্রহণ কেন্দ্রে পৌঁছে যান। ইভিএম মেশিন খারাপ হলে ওই মেশিনে ভোট করবেন না নতুন মেশিন আনাবেন। আপনারা অনেক লাইন দিয়েছেন এবার নিজের ভবিষ্যতের জন্য আর একদিন লাইন দিয়ে ভোট দিন। কাউন্টিং এর সময় ওরা ধীরে ধীরে কাউন্টিং করবে, মাঝেমধ্যে রটিয়ে দেবে বিজেপি জিতছে বলে কিন্তু আপনারা একদম বিশ্বাস করবেন না তারপর মমতা আত্মবিশ্বাসের সুরে বলেন ২০২৬ সালে বিধানসভার ভোটে ২২৬ টি আসন তারা পাবেন। দিল্লির লাড্ডু দিয়ে বাংলা দখল হবে না তারপর মমতা সুর চড়িয়ে শ্লোগান তোলে বলেন “যতই করো হামলা এবার হবে বদলা, যতই কর হামলা এবার জিতবে বাংলা।”




