মৃণালজিৎ গোস্বামী
বিধানসভা নির্বাচনের জন্য সারা রাজ্যের পাশাপাশি বীরভূমেও পোস্টাল ব্যালট এবং পুলিশ কর্মীদের ভোট প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বীরভূম জেলার তিনটি মহকুমার সব ট্রেনিংয়ের জায়গায় চরম অব্যবস্থা লক্ষ্য করা গেছে বলে অভিযোগ তুলেছেন রাজ্য বিজেপির সহ-সভাপতি বিজেপির জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। প্রয়োজনের তুলনায় কম ভোটিং কম্পার্টমেন্ট থাকার ফলে পোলিং পার্সোনালদের দীর্ঘক্ষন লাইনে থাকতে হয়েছে এবং অনেকেই ভোট না দিয়ে ট্রেনিং নিয়ে সরাসরি বাড়ি চলে গেছেন । তার আরো অভিযোগ যে যারা আজকের ট্রেনিং করেছেন সিগনেচার করেছেন তারা এসেছিলেন বলে কিন্তু ব্যালট না তুলে ভোট না দিয়ে চলে গেছেন তৃণমূলের লোকজন বা সরকারি কর্মচারীদের একাংশ বা শাসক দলের লোকজন তারা এই প্রক্রিয়াকে বানচাল করার চেষ্টার মধ্যে দিয়ে যারা ট্রেনিং করেছেন ব্যালট নেননি, তাঁদের ব্যালট তুলে তারা ভোট দিয়ে থাকতে পারেন বলে অভিযোগ করেন সিউড়ির বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় ।
এই তথ্য দিয়ে তারা জেলা নির্বাচনী আধিকারিক ও মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন। তার আরো অভিযোগ কর্তব্যরত বহু পুলিশকর্মী যারা ভোটের কাজে যুক্ত ভোট দিতে এসে দেখেন যে তাদের নামে ব্যালট ইস্যু হয়নি। সরকারি অব্যবস্থার ফলে ভোট দিতে যারা পারেনি তাদেরকে ফের ভোট দিতে দেওয়ার দাবি জানান সিউড়ি বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। তাঁর দাবি ট্রেনিং এর শেষ দিন অর্থাৎ ১৬ই এপ্রিল যারা ভোটের ডিউটির জন্য ট্রেনিং করেছেন অথচ ব্যালট পেপার ইস্যু হয়নি তাদের লিস্ট আলাদা ভাবে তৈরি রাখতে হবে যাতে ভোট গ্রহণ কেন্দ্রে ডিউটি করার সময় ভোট দিতে পারেন। জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের আরো অভিযোগ বোলপুর কলেজে সিউড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের একটি বক্স থেকে কিছু ব্যালট পাওয়া গেছে যে ব্যালট পেপার স্ট্রং রুমে না গিয়ে ফাঁকা ব্যালটের সঙ্গে পাচার করে দেওয়া হচ্ছিল। স্থানীয় পোলিং পার্সোনালরা তা ধরে আমাদের তারা খবর দেন আমরা এই বিষয়টি জেলা নির্বাচনী আধিকারিক এবং মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক কে জানাবো এবং এটা কি করে হয় তা জানতে চাইব আমরা প্রতিমুহূর্তে সজাগ ও সচেতন আছি কোন রকম ভাবে যদি পোল প্রক্রিয়াকে নষ্ট করা চেষ্টা করা হয় তাহলে দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসারের বিরুদ্ধে আমরা প্রয়োজনীয় তদন্তের দাবি জানাব।




