হারের কারণ ব্যাখ্যা করলেন তৃণমূল প্রার্থী উজ্জ্বল চ্যাটার্জী । বিধানসভা নির্বাচনে ‘আমি হেরেছি’ আমার এই হারের পেছনে রয়েছে অনেক কারণ বুধবার দুপুরে সিউড়ি পৌরসভায় নিজের চেম্বারে বসে সাংবাদিক সম্মেলন করে সেই কারণগুলিই ব্যাখ্যা করলেন তৃণমূল প্রার্থী উজ্জ্বল চ্যাটার্জী। ২২ সালে পৌরসভাভোট হতে না দেওয়া তাঁর হারের প্রধান কারণ বলে মনে করছেন চেয়ারম্যান উজ্জ্বল চ্যাটার্জী ।

তিনি বলেন সেই সময় তৃণমূল জেলা উচ্চ নেতৃত্বের নির্দেশ মেনেই সিউড়ি পৌরসভায় অনেক ওয়ার্ডে ভোট হয়নি ,সেই সময় ভোট না হওয়ার পেছনে তার ভূমিকা ও ছিল বলে স্বীকার করে নেন আর সেই ভোট দিতে না পারার সাধারণ মানুষের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে এবারের বিধানসভা নির্বাচনে যা আমার পক্ষে হারের অন্যতম কারণ। এবারের বিধানসভার নির্বাচনের ফলাফল দেখার পর উজ্জ্বল চ্যাটার্জী “ঘর শত্রু বিভীষণ” দের স্পষ্ট প্রমাণ পেয়ে অন্তর্ঘাতের অভিযোগও আনলেন। পাশাপাশি সিউড়ি শহরে পুর পরিষেবার ক্ষেত্রেও শহরবাসী খুশি হতে পারেননি তার ফলে তার অনুকূলে ভোট যায়নি বলেই মনে করছেন বিধানসভার পরাজিত তৃণমূল প্রার্থী উজ্জ্বল চ্যাটার্জী। উজ্জ্বল চ্যাটার্জী বলেন শহরে এবং রাজনগরে প্রায় ২২ হাজারেরও বেশি ভোটে তিনি পিছিয়ে পড়েছেন সে ক্ষেত্রে দলেরই প্রভাবশালী নেতৃত্বের অঙ্গুলী হেলনে রাজনগর এবং শহরের অনেক কাউন্সিলর সঙ্গে থেকেও ভিতরে ভিতরে ভোটে অন্তর্ঘাত করেছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। তিনি আরো জানান জেলায় যে সমস্ত জায়গায় তৃণমূল প্রার্থীরা হেরেছেন তার অন্যতম কারণ অন্তর্ঘাত। মানুষের রায় মাথা পেতে নিলেও আগামী দিনে সিউড়ি পৌরসভা বা তাঁর ব্যক্তিগত রাজনৈতিক জীবন কি হবে সে নিয়ে তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করে উজ্জ্বল বাবু জানান ১৫ দিন পর তাঁর পরামর্শদাতা সাংসদ শতাব্দী রায়ের সঙ্গে আলোচনা করে আগামী দিনে রাজনৈতিক পদক্ষেপ ঠিক করবেন । পাশাপাশি জয়ী বিধায়ক বিজেপির জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে উন্নয়নের পাশাপাশি সিউড়িতে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার আবেদন করেন উজ্জ্বল চ্যাটার্জি।




